| শিরোনাম |
❒ যবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ছবি:
আনন্দ শোভাযাত্রা, কেক কাটা, আলোচনা সভা, নবীন সদস্যদের বরণ ও সাবেক সদস্যদের সংবর্ধনাসহ নানা আয়োজনে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (যবিপ্রবিসাস) অষ্টম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে আনন্দ শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়। পরে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম একাডেমিক ভবনের সামনে কেক কাটা হয়। এরপর একই ভবনের ডিজিটাল ক্লাসরুমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
যবিপ্রবিসাসের সভাপতি রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসাইনের সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও যবিপ্রবিসাসের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ফারুক হাসান এবং ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. মো. রাফিউল হাসান।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগের চেয়ারম্যান, হল প্রভোস্ট, দপ্তরপ্রধান, বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধি এবং যবিপ্রবিসাসের সাবেক ও বর্তমান সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বর্ষসেরা প্রতিবেদক হিসেবে আরটিভির ক্যাম্পাস প্রতিনিধি আলফাজ হোসেন আরবি ও ঢাকা মেইলের মো. রকিবুল হাসান তারেককে সম্মাননা দেওয়া হয়। বর্ষসেরা ফিচার লেখক হিসেবে দৈনিক এদিনের সাব্বির রহমান রাব্বিল ও চ্যানেল আইয়ের মাহফুজুল ইসলাম এবং বর্ষসেরা উদীয়মান প্রতিবেদক হিসেবে দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসের মো. সাব্বির আহমেদকে সম্মাননা দেওয়া হয়।
এ ছাড়া সংগঠনে বিশেষ অবদানের জন্য যবিপ্রবিসাসের সদ্য বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক শেখ সাদী ভূঁইয়াকে সম্মাননা ক্রেস্ট দেওয়া হয়। সম্মাননা দেওয়া হয় সংগঠনের সাবেক সদস্যদেরও।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা সাংবাদিক সমিতি বস্তুনিষ্ঠভাবে তুলে ধরবে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন। এসব সমস্যা সমাধানে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।
উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রায় সাংবাদিক সমিতিসহ সব অংশীজনের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। দায়িত্বশীল ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সাংবাদিক সমিতি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে।
কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ফারুক হাসান বলেন, সংবাদকর্মীদের জীবন নানা চ্যালেঞ্জ ও সংগ্রামে পরিপূর্ণ। সংবাদপত্র সমাজের দর্পণ হিসেবে সত্যকে মানুষের সামনে তুলে ধরে।
সমাপনী বক্তব্যে যবিপ্রবিসাসের সভাপতি রুহুল আমিন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাফল্য, অর্জন, গবেষণা ও সম্ভাবনা গণমাধ্যমে তুলে ধরার পাশাপাশি অনিয়ম, দুর্নীতি ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে বস্তুনিষ্ঠভাবে সংবাদ প্রকাশ করবে যবিপ্রবিসাস।
তিনি বলেন, ‘সাংবাদিক সমিতি কখনো বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে নয়; বরং অন্যায়, দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে।’ একই সঙ্গে সংগঠনের ভবিষ্যৎ পথচলায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।