বুধবার , ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ৮ আশ্বিন ১৪৩৩
Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)
যশোরে মা হত্যায় স্কুলশিক্ষক ছেলে কারাগারে
প্রকাশ : শনিবার, ২৯ আগস্ট , ২০২৬, ০৭:৪৮:০০ এ এম
স্বর্ণলতা নিউজ:
Shornolota_2026-08-29_6a92f15d6cf67.JPG

❒ যশোরে মা হত্যায় স্কুলশিক্ষক ছেলে মামুন কারাগারে ছবি:

যশোর সদর উপজেলার বাজে দুর্গাপুর এলাকায় মাকে হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার স্কুলশিক্ষক মামুনুর রশিদকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সকালে হত্যাকাণ্ডের প্রায় ১৭ ঘণ্টার মধ্যে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

মামুনুর রশিদ (৪৩) ঝিকরগাছা উপজেলার লাউজানি এন.এম. মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক। তিনি বাজে দুর্গাপুর এলাকার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আলতাফ হোসেনের ছেলে। নিহত আনোয়ারা খাতুন (৫৫) তার মা।

পিবিআই সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকেলে মামুনুর রশিদ শহর থেকে নিজ বাড়ি বাজে দুর্গাপুরে যান। সেখানে মায়ের সঙ্গে পারিবারিক বিষয় নিয়ে তার কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে পাশে থাকা ধারালো বটি দিয়ে মায়ের ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে। এতে গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই আনোয়ারা খাতুনের মৃত্যু হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পিবিআইয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, মামুনুর রশিদের দুই স্ত্রী তাকে ছেড়ে চলে গেছেন। এ ঘটনায় তিনি তার মাকে দায়ী মনে করতেন। এ বিষয়কে কেন্দ্র করে মা-ছেলের মধ্যে বিরোধ চলছিল। ঘটনার দিনও এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয় বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে।

হত্যাকাণ্ডের পর মামুনুর রশিদ মোবাইল ফোন বন্ধ করে আত্মগোপনে চলে যান। খবর পেয়ে পিবিআইয়ের ক্রাইমসিন টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করে। পরে তথ্যপ্রযুক্তি ও স্থানীয় গোয়েন্দা তথ্যের সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করা হয়। শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে সদর উপজেলার তেঘরিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই।

পিবিআই যশোরের পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামান জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মামুনুর রশিদ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।

এ ঘটনায় নিহতের আরেক ছেলে মঞ্জুর হাসান বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন। পরে পিবিআই মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করে।

শুক্রবার বিকেলে গ্রেপ্তার মামুনুর রশিদকে আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

তবে মামুনুর রশিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ এখনো বিচারিকভাবে প্রমাণিত হয়নি। তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ায় অভিযোগের সত্যতা নির্ধারিত হবে।

আরও খবর

Ad for sale 225 x 270 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
🔝