| শিরোনাম |
❒ চৌগাছায় মডেল মসজিদের স্থান পরিবর্তনের দাবি ছবি:
যশোরের চৌগাছা উপজেলা মডেল মসজিদ নির্মাণের স্থান পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্ত দোকানঘর ও ব্যবসায়ী সমিতির নেতারা। তাদের দাবি, বর্তমানে নির্ধারিত স্থানে মসজিদ নির্মিত হলে উপজেলার বৃহত্তম কাঁচাবাজারের প্রায় ১২০টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই একই মালিকানাধীন নিকটস্থ বিকল্প স্থানে মসজিদ নির্মাণের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
আজ শনিবার (১ জুলাই) যশোর প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ক্ষতিগ্রস্ত দোকানঘর ও ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি শফি উদ্দীন লিখিত বক্তব্যে এ দাবি জানান।
তিনি বলেন, বর্তমানে ২৩ নম্বর খতিয়ানের ৬৮১ নম্বর দাগে মডেল মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে এর পরিবর্তে প্রায় ৩০০-৪০০ গজ উত্তরে পাবলিক লাইব্রেরির পেছনে একই খতিয়ানের ৬৫৩ নম্বর দাগে মসজিদ নির্মাণ করলে বাজারের কোনো ক্ষতি হবে না। প্রায় ৮৯ শতক জমির মধ্যে ৪৮ শতকেই অনায়াসে মসজিদ নির্মাণ সম্ভব বলেও দাবি করেন তিনি।
ব্যবসায়ী নেতাদের ভাষ্য, বর্তমানে নির্ধারিত স্থানে মসজিদ হলে প্রায় ৬০টি স্থায়ী ও ৬০টি অস্থায়ীসহ মোট ১২০টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এতে প্রায় তিন হাজার পরিবারের জীবিকা হুমকির মুখে পড়বে।
লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, এ বিষয়ে বিসমিল্লাহ হোটেলের মালিক মো. আনিচুর রহমান গত ৯ জুলাই হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করেন। পরে আদালত ৬৮১ নম্বর দাগের জমির ওপর তিন মাসের জন্য স্থিতাবস্থা (স্ট্যাটাস কো) বজায় রাখার আদেশ দেন বলে দাবি করা হয়।
ব্যবসায়ীরা বলেন, তারা মডেল মসজিদ নির্মাণের বিরোধী নন। তবে বাজার ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান অক্ষত রাখতে উপযুক্ত স্থানেই মসজিদ নির্মাণ করা উচিত।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, বিষয়টি নিয়ে কিছু প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তি চক্রান্ত করছেন। এছাড়া কথিত কাঁচাবাজার সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক দোকানঘর দেওয়ার নামে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ২০ থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করেছেন বলেও দাবি করা হয়।
স্থানীয় প্রশাসন, জেলা প্রশাসন ও সরকারের কাছে বিষয়টি তদন্ত করে ৬৫৩ নম্বর দাগে মডেল মসজিদ নির্মাণের ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান ব্যবসায়ী নেতারা।
সংবাদ সম্মেলনে ক্ষতিগ্রস্ত হাট মালিক আতিকুর রহমান লেটুসহ স্থানীয় ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।