বৃহস্পতিবার , ২৫ জুন ২০২৬ , ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)
অভিনেত্রী টুইশা শর্মার মৃত্যু ঘিরে নতুন রহস্য, শাশুড়ি গ্রেপ্তার
প্রকাশ : শনিবার, ৩০ মে , ২০২৬, ০৭:২৫:০০ পিএম
স্বর্ণলতা বিনোদন ডেস্ক:
Shornolota_2026-05-30_6a1ae57eaadaa.JPG

❒ ভারতীয় অভিনেত্রী ও মডেল টুইশা শর্মার মৃত্যু তদন্তে একের পর এক নতুন তথ্য ছবি:

ভারতীয় অভিনেত্রী ও মডেল টুইশা শর্মার মৃত্যু তদন্তে একের পর এক নতুন তথ্য সামনে আসছে। প্রথমে এটি সাধারণ যৌতুক আর নির্যাতনের মামলা হিসেবে দেখা হয়েছিল। এখন সিবিআইয়ের তদন্তে উঠে আসছে আরও ভয়ংকর অভিযোগ প্রমাণ নষ্ট, ডিজিটাল তথ্য বদলানো এবং মৃত্যুর আসল ঘটনা আড়াল করার চেষ্টা।

সম্প্রতি টুইশার শাশুড়ি, অবসরপ্রাপ্ত বিচারক গিরিবালা সিংকে গ্রেপ্তার করেছে সিবিআই। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা করেছেন। এর আগেই গ্রেপ্তার হয়েছেন টুইশার স্বামী সমর্থ সিং। টানা তিন দিন ধরে প্রায় ১০ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ, ঘটনাস্থল পর্যবেক্ষণ, ফরেনসিক বিশ্লেষণ ও ডিজিটাল তথ্য যাচাইয়ের পর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।


গ্রেপ্তার হয়েছেন টুইশার স্বামী সমর্থ সিংকে

অন্যদিকে, টুইশার পরিবারের দাবি, বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই তাকে মানসিকভাবে চাপ দেয়া হতো। বিয়েতে দেয়া উপহার ও পণ নিয়ে প্রায়ই কটাক্ষ করা হতো। তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, টুইশার নামে প্রায় ২০ লাখ রুপির শেয়ার ছিল। অভিযোগ রয়েছে, সেই শেয়ার নিজেদের নামে লিখে নিতে চেয়েছিলেন স্বামী সমর্থ ও শাশুড়ি গিরিবালা। সিবিআই এখন খতিয়ে দেখছে, এই আর্থিক বিরোধ কি পারিবারিক দ্বন্দ্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল কি না।


অন্যদিকে, টুইশার পরিবারের দাবি, বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই তাকে মানসিকভাবে চাপ দেয়া হতো

সবচেয়ে ভয়াবহ অভিযোগের একটি টুইশার অন্তঃসত্তা অবস্থা নিয়ে। অভিনেত্রীর পরিবারের দাবি, সন্তানটির পিতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলা টুইশার শ্বশুর বাড়ি থেকে। এমনকি তাকে গর্ভপাত করানোর জন্য চাপ দেয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ উঠেছে। টুইশার পরিবার জানিয়েছে, তাকে বলা হয়েছিল গর্ভপাত না করলে তাকে এই পরিবারে গ্রহণ করা হবে না। এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে এখন মেডিকেল রেকর্ড, মেসেজ ও সাক্ষ্যপ্রমাণ খতিয়ে দেখছে সিবিআই।

প্রসঙ্গত গত ১২ মে ভোপালের কাটারা হিলসের তিনতলা বাড়িতে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায় টুইশাকে। এরপর থেকেই শুরু হয় রহস্য। তদন্তকারীরা এখন তার মৃত্যুর আগের মাত্র ৪০ মিনিটের প্রতিটি মুহূর্ত বিশ্লেষণ করছেন। সিসিটিভি ফুটেজ, মোবাইল ফোনের কল রেকর্ড, ওয়াই-ফাই লগ, ইন্টারনেট ব্যবহারের তথ্য সবকিছু মিলিয়ে তৈরি করা হচ্ছে একটি ‘ডিজিটাল টাইমলাইন’।


সূত্র: এনডিটিভি

আরও খবর

Ad for sale 225 x 270 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
🔝