| শিরোনাম |
❒ প্রতীকী ছবি:
মেহেরপুরের বজ্রপাতে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। বজ্রপাতে পৃথকস্থানে আরও দুইজন আহত এবং মাঠে থাকা চারটি গরুরও মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৮ মে) বিকেলের দিকে কালবৈশাখী ঝড়ের সময় এসব ঘটনা ঘটে। আকস্মিক এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মধ্যে নেমে এসেছে শোক ও উদ্বেগ।
নিহত আব্দুর রশিদ (৫৫) মেহেরপুর সদর উপজেলার সোনাপুর গ্রামের বাসিন্দা।
আহতরা হলেন- গাংনী উপজেলার কসবা গ্রামের ডোবাপাড়া এলাকার মৃত মসলেম উদ্দিনের ছেলে রবিউল ইসলাম (৬০) এবং ভরাট দুর্লভপুর গ্রামের এনামুল হকের মেয়ে খাদিজা খাতুন (১৪)।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বিকেলে মেহেরপুর সদর উপজেলার সোনাপুর এলাকার ভেদাগাড়ি মাঠে মরিচের জমিতে কাজ করতে যান কৃষক আব্দুর রশিদ। এ সময় হঠাৎ কালবৈশাখী ঝড় শুরু হলে তিনি বাড়ি ফেরার চেষ্টা করেন। পথে বজ্রপাতে গুরুতর আহত হন তিনি। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
অন্যদিকে, গাংনী উপজেলার কসবা গ্রামের ডোবাপাড়া মাঠে গরু চরাতে যান রবিউল ইসলাম। বিকেলের দিকে আকাশ কালো হয়ে ঝড় শুরু হলে তিনি গরুগুলো নিয়ে নিরাপদ স্থানে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় বজ্রপাতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং ঘটনাস্থলেই তার চারটি গরুর মৃত্যু হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
এদিকে, গাংনী উপজেলার ভরাট দুর্লভপুর গ্রামে বাড়িতে থাকা অবস্থায় বজ্রপাতে আহত হয় কিশোরী খাদিজা খাতুন। বজ্রপাতের সময় তিনি ঘরের ভেতরে ছিলেন বলে জানা গেছে। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. তাসমারী খাতুন বলেন, বজ্রপাতে আহত রবিউল ইসলাম ও খাদিজা খাতুন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।