| শিরোনাম |
❒ মুন্নিসহ গ্রেপ্তার ৪
❒ শার্শায় ইকরামুল হত্যায় আল ফুরাদের স্বীকারোক্তি ছবি:
যশোরের শার্শায় ইকরামুল কবির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত আল ফুরাদ ও মুন্নি আক্তারসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আল ফুরাদ আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
রোববার (১০ মে) গ্রেপ্তার চারজনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সঞ্জয় পালের আদালতে আল ফুরাদের জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- শার্শা উপজেলার বসতপুর পূর্বপাড়ার আরশাদের ছেলে আল ফুরাদ, সেতাই পশ্চিমপাড়ার ফজলু ওরফে ফজু মোড়ল, তার মেয়ে মুন্নি আক্তার এবং আমলাই গ্রামের মৃত রুহুল কুদ্দুসের মেয়ে কাকলী আক্তার।
নিহত ইকরামুল কবির উপজেলার দক্ষিণ বারোপোতা গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে।
নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ৮ এপ্রিল রাতে সেতাই গ্রামে বড় বোন শিল্পী খাতুনের বাড়ি থেকে নিজ বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ হন ইকরামুল। পরে তার বাবা আব্দুর রশিদ অপহরণের অভিযোগে আদালতে মামলা করেন। মামলায় পুত্রবধূ মুন্নি আক্তারসহ চারজনকে আসামি করা হয়। আদালতের নির্দেশে মামলাটি শার্শা থানায় নিয়মিত মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চঞ্চল কুমার বিশ্বাস জানান, আল ফুরাদকে গ্রেপ্তারের পর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গত শনিবার ফুরাদের ঘোয়ালঘরে পুঁতে রাখা ইকরামুলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। একইসঙ্গে এজাহারভুক্ত অন্য তিন আসামিকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শার্শা থানার ওসি মো. মারুফ হোসেন জানান, মুন্নি আক্তার এ পর্যন্ত চারটি বিয়ে করেছেন। তার প্রথম স্বামী ইমদাদুল, দ্বিতীয় ইয়াহিয়া, তৃতীয় আল ফুরাদ এবং চতুর্থ স্বামী ছিলেন ইকরামুল কবির।
তিনি আরও জানান, মুন্নির সঙ্গে ইকরামুলের বিয়ে মেনে নিতে পারেননি সাবেক স্বামী আল ফুরাদ। সেই ক্ষোভ থেকেই ইকরামুলকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। পরিকল্পনা অনুযায়ী তাকে কৌশলে বাড়িতে ডেকে এনে ঘুমের ওষুধ মেশানো জুস পান করানো হয়। অচেতন হয়ে পড়লে দড়ি দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। পরে ঘোয়ালঘরে মাটি খুঁড়ে মরদেহ পুঁতে রাখা হয়। প্রাথমিক তদন্তে এমন তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।