সোমবার , ২৫ মে ২০২৬ , ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

❒ যশোরে সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধবিরোধী জোটের প্রতিনিধি সভা

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের দাবি
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ৫ মে , ২০২৬, ০৮:৫০:০০ পিএম
স্বর্ণলতা নিউজ:
Shornolota_2026-05-05_69fa040986a9c.jpg

❒ যশোরে সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধবিরোধী জোটের প্রতিনিধি সভা ছবি:

সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধবিরোধী জোট (১৩টি বাম দলের জোট) কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে যশোরে বিভাগীয় প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ মে ) বেলা ১১টায় যশোর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তারা যুক্তরাস্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তিকে এক তরফা, অসম ও দেশবিরোধী দাবি করে তা বাতিলের আহ্বান জানিয়েছেন।

যশোর জেলা সমন্বয়ক ও সিপিবি যশোর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসানের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন-বাংলাদেশের বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির জাহিদ। এছাড়া বক্তব্য দেন-সিপিবির কেন্দ্রীয় কমিটির সেক্রেটারি আব্দুল্লাহ ক্কাফী রতন, জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট হেমায়েত হোসেন হিরু, বাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য জনার্দন দত্ত নান্টু এবং বিপ্লবী কমিউনিস্ট পার্টি যশোর জেলা কমিটির সম্পাদক তসলিম-উর-রহমানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

সভায় বক্তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত কথিত অসম বাণিজ্যচুক্তি বাতিলের দাবি জানান। পাশাপাশি বিশ্বব্যাপী সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন ও যুদ্ধ বন্ধ, ইরানে হামলা বন্ধ এবং ফিলিস্তিনে গণহত্যা বন্ধের আহ্বান জানান।

তারা অভিযোগ করেন, “অ্যাগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোকাল ট্রেড (এআরটি)” চুক্তি দেশের অর্থনীতি, নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি হতে পারে। এর ফলে উচ্চমূল্যে এলএনজি, গম, সয়াবিন ও তুলা আমদানির বাধ্যবাধকতা তৈরি হবে এবং কৃষি ও শিল্প খাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে তারা উল্লেখ করেন।

বক্তারা আরও বলেন, বিনা দরপত্রে উড়োজাহাজ ও সামরিক সরঞ্জাম ক্রয়ের শর্ত এবং চুক্তির বিভিন্ন ধারা প্রকাশ না করায় তা জনস্বার্থবিরোধী হয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দরসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছে ইজারা দেওয়ার বিষয়েও তারা সমালোচনা করেন।

সভায় বলা হয়, এসব নীতির কারণে কৃষি, পোলট্রি, মৎস্য ও দুগ্ধ খাতে কর্মসংস্থান ঝুঁকিতে পড়তে পারে এবং তৈরি পোশাক শিল্প আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে যেতে পারে।

বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে গাজা, কিউবা ও ভেনিজুয়েলার পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। বক্তারা বিশ্বজুড়ে সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন ও যুদ্ধ বন্ধে আন্তর্জাতিক সংহতি গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

সভা থেকে অসম ও জাতীয় স্বার্থবিরোধী সব চুক্তি বাতিল, চুক্তিগুলো জনসম্মুখে প্রকাশ এবং জাতীয় সংসদে আলোচনা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে দেশব্যাপী আন্দোলনের কর্মসূচিও ঘোষণা করা হয়।

ঘোষিত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে—১১ এপ্রিল জেলা ও উপজেলায় সমাবেশ ও মিছিল, ১৬ থেকে ২২ এপ্রিল প্রচার সপ্তাহ এবং ২৭ এপ্রিল জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশ শেষে জাতীয় সংসদ অভিমুখে মিছিল ও স্মারকলিপি প্রদান।

আরও খবর

Ad for sale 225 x 270 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
🔝