| শিরোনাম |
❒ যশোরে বিএনপি নেতা আলমগীর খুন
❒ প্রেসক্লাব যশোরে সংবাদ সম্মেলনে প্রধান আসামির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ নিহতের পরিবারের ছবি:
যশোরে বিএনপি নেতা ও ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেন হত্যা মামলার প্রধান আসামি জামিনে মুক্তি পেয়ে নিহতের পরিবারকে হুমকি-ধামকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন নিহতের পরিবার। পরিবারটির সদস্যরা চরম উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে দাবি করেছেন। মঙ্গলবার বেলা ১২টায় প্রেসক্লাব যশোরে সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন নিহত আলমগীর হোসেনের স্ত্রী শামীমা বেগম। এসময় তার মেয়ে ইলারা খাতুন রাত্রিসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
গত ২৮ এপ্রিল উচ্চ আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পর ৩০ এপ্রিল যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান মামলার প্রধান আসামি ও নিহতের জামাই বাসেদ আলী পরশ। এরপর থেকেই তিনি ও তার পক্ষের লোকজন নানা ধরনের হুমকি দিচ্ছেন বলে দাবি করেছে পরিবার।
পরিবারের দাবি, চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি বিকেলে যশোর শহরের শংকরপুরের ইসহাক সড়কে নিজ বাসার সামনে বিএনপির ৭ নম্বর ওয়ার্ডের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও গ্রীনল্যান্ড প্রোপার্টিজের মালিক আলমগীর হোসেনকে গুলি করে হত্যা করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, মোটরসাইকেলে এসে বাসেদ আলী পরশ ও আসাবুল ইসলাম সাগরসহ কয়েকজন তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
এরপর ৪ জানুয়ারি কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। পুলিশ দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায় এবং তারা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দেন বলে জানানো হয়। তবে মাত্র চার মাসের মধ্যে প্রধান আসামির জামিনে মুক্তি পাওয়ায় পরিবারটি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।
নিহতের স্ত্রী শামীমা বেগম অভিযোগ করেন, আসামির পরিবার আইন পেশার সঙ্গে যুক্ত এবং প্রভাবশালী হওয়ায় আইনি সুবিধা নিয়ে দ্রুত জামিন পেয়েছে। তিনি আরও বলেন, কারাগারে থাকাকালীন সময়েও আসামিরা বিভিন্ন মাধ্যমে হুমকি দিত, বর্তমানে জামিনে বেরিয়ে তা আরও বেড়েছে।
পরিবারের অভিযোগ, জামাই পরশের পক্ষ থেকে তার বোনসহ বিভিন্ন লোক মারফতে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। এতে তারা চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন নিহতের মেয়ে ইলারা খাতুন রাত্রি, মামা এনামুল হক, তবিবর রহমানসহ শংকরপুর এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা।