| শিরোনাম |
ভবানীপুরেও হারলেন মমতা, ‘শেষ হাসি’ হাসলেন শুভেন্দুই! ১৫,১১৪ ভোটে জয়ী শুভেন্দু অধিকারী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুরের ঘরের মেয়ে। অথচ সেই নিজের ঘরেই হারতে হল! পাঁচ বছর আগে নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাস্ত হয়েছিলেন মমতা। কিন্তু এবার নিজেরই আসনে পরাস্ত হলেন তৃণমূলনেত্রী। নিজের আসন ভবানীপুরকে ‘বড়বোন’ এবং নন্দীগ্রামকে ‘মেজোবোন’ বলে সম্বোধন করেন মমতা। ‘মেজোবোনের’ কাছে পাঁচ বছর আগেই হেরেছিলেন, হারিয়েছিল শুভেন্দু অধিকারীই। এবার ‘বড়বোন’ ভবানীপুরেও হারলেন তিনি। এবারও হারালেন সেই শুভেন্দুই। ইতিমধ্যেই নন্দীগ্রামে সার্টিফিকেট নেওয়ার জন্য হলদিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।
ভবানীপুর রাজ্যের সবচেয়ে চর্চায় থাকা বিধানসভা কেন্দ্র। এই আসনে বিজেপির প্রার্থী বিদায়ী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে গোটা বাংলার সবচেয়ে হেভিওয়েট কেন্দ্র বলা যায় ভবানীপুরকেই৷ ২০১১ সাল থেকে এই বিধানসভা কেন্দ্র রয়েছে তৃণমূলের দখলে। ২০১১ সালের উপ নির্বাচন এবং ২০১৬ সালের বিধানসভা ভোটে এই আসনে জেতেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে ২০২১ সালের সালের উপ নির্বাচনেও এই আসনে জিতেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
তবে এই বারের ভোটের পরিস্থিতি আলাদা। ভবানীপুরে বিচারাধীন তালিকায় নাম বাদ ৩৮৯৩ (তিন হাজার আটশো তিরানব্বই)৷ বিচারাধীন তালিকায় নাম ছিল ১৪ হাজার ১৫৪ জনের। বৈধ ভোটার সংখ্যা ১০ হাজার ২৫৬। ভবানীপুরে বিচারাধীন বিচারে বাদ প্রায় চার হাজারের নাম। ভবানীপুরে মোট একান্ন হাজার বাইশ জনের নাম বাদ গিয়েছে। তাই এই বিধানসভা কেন্দ্র রাজ্যবাসীর নজরে রয়েছে। সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলে চলে ইভিএমে ভোটগণনা। ১৭ রাউন্ডের শেষে অনেকটা পিছিয়ে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।