| শিরোনাম |
❒ থামছে না দৌরাত্ম্য
❒ জ্ঞান ফিরে পাওয়া আব্দুল্লাহ আল মামুনের বাড়ি দর্শনার বাড়াদী গ্রামে
❒ বেনাপোলে ট্রেনেও অজ্ঞান পার্টি, ৩ যাত্রী হাসপাতালে ছবি:
অজ্ঞান পার্টির দৌরাত্ম্য থামছেই না—কখনো যানবাহনে, কখনো বাড়িতে কৌশলে ঢুকে, আবার কখনো বিপদের গল্প সাজিয়ে রাত যাপনের সুযোগে সর্বস্ব লুটে নিচ্ছে তারা। এরই ধারাবাহিকতায় এবার বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনে তিন যাত্রীকে অচেতন করে সর্বস্ব লুটে নিয়ে গেছে অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা।
শনিবার (২ মে) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বেনাপোলগামী বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেন থেকে অচেতন অবস্থায় তিন যাত্রীকে উদ্ধার করে পুলিশ। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চুয়াডাঙ্গা থেকে ট্রেনে ওঠেন মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন (৩৬)সহ আরও দুই অজ্ঞাত ব্যক্তি। যাত্রাপথের কোনো এক সময় তারা ‘অজ্ঞান পার্টি’র কবলে পড়ে অচেতন হয়ে পড়েন। ট্রেনটি বেনাপোল রেল স্টেশনে পৌঁছালে সহযাত্রীরা তাদের নিস্তেজ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে বিষয়টি বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশে খবর দেয়।
খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তিনজনকে উদ্ধার করে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় আব্দুল্লাহ আল মামুনের জ্ঞান ফিরেছে, তবে বাকি দুইজন এখনও অচেতন রয়েছেন।
উদ্ধার হওয়া আব্দুল্লাহ আল মামুন চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুরহুদা থানার দর্শনা এলাকার বাড়াদী গ্রামের বাসিন্দা। অপর দুইজনের পরিচয় এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
প্রসঙ্গত, অজ্ঞানপার্টির অপতৎপরতা নতুন কিছু না। এরই মধ্যে অসংখ্য মানুষ চক্রটির কবলে পড়ে সব হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছেন। কখনো যানবাহনে, কখনো ঘরের জানালা দিয়ে স্রে করে, কখনো আবার বিপদের কথা বরে রাত যাপনের সুযোগ নিয়ে সম্পদ লুটে নেয়ার নজির যশোরে রয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী চক্রটির লাগাম টেনে না ধরলে মানুষ তো ঠকতেই থাকবে। আর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হবেন। সমাজ সচেতন মহলের দাবি-পুলিশ চাইলেই চক্রটিকে পাকড়াও করতে পারে কিন্তু পুলিশ সেভাবে তৎপরতা দেখায় না।