শনিবার , ২ মে ২০২৬ , ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩
Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

❒ লোন ও চাকরির প্রলোভন

যশোর ছাড়াও মাগুরা ও ঝিনাইদহে মাহমুদার প্রতারণা, কৌশলে নিয়েছেন ব্ল্যাঙ্ক চেক

❒ সংবাদ সম্মেলন করে ভুক্তভোগীরা চেয়েছেন প্রশাসনের হস্তক্ষেপ

প্রকাশ : শনিবার, ১৪ মার্চ , ২০২৬, ০৯:৩২:০০ পিএম
স্বর্ণলতা নিউজ:
Shornolota_2026-03-14_69b57fbadb6e7.jpg

❒ সংবাদ সম্মেলন করে ভুক্তভোগীরা চেয়েছেন প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ছবি:

বহুল আলোচিত মাহমুদা জামান ওরফে মাহমুদা নামের এক নারী চাকরি ও লোন পাইয়ে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ায় তাকে ধরে পুলিশে দিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্তরা। এরপর থেকে তার বিরুদ্ধে আরও অর্থ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে।

আজ শনিবার (১৪ মার্চ) প্রেসক্লাব যশোরে মাগুরা ও ঝিনাইদহ জেলার কয়েকজন ভুক্তভোগী সংবাদ সম্মেলন করেছেন। তাদের অভিযোগ, লোন ও চাকরির প্রলোভনে মাহমুদা কোটি কোটি টাকা আত্মসাত করেছেন। সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মোঃ আব্দুস সোবাহান।

ভুক্তভোগীরা জানান, মাহমুদা জামান নিজেকে কখনো ব্যাংক কর্মকর্তা, কখনো এনজিওর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং কখনো সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন সময় স্বল্প সুদে ঋণ পাইয়ে দেওয়া ও চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দেন। এভাবে তিনি বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ এবং স্বাক্ষরিত একাধিক ব্ল্যাঙ্ক চেক গ্রহণ করেছেন।

তাদের অভিযোগ, যশোরের ইন্নাতুল হাসান, শান্তনা, নুপুর, শাহিনা, ইমরান, সোবহান, আল-আমিন, দিতি, সুকুর আলী, সুখজানসহ আরও অনেকের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ হাতিয়েছে মাহমুদা।

প্রতারণার কিছু উদাহরণ:

ইন্নাতুল হাসান থেকে বাড়ি নির্মাণের জন্য লোন ও চাকরির প্রলোভনে নগদ ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং তিনটি ব্ল্যাঙ্ক চেক নেওয়া হয়।

দীপু খাতুন থেকে এনজিওতে উচ্চপদে চাকরির আশ্বাসে দুই দফায় ৬ লাখ ৯৯ হাজার ৫০০ টাকা নেওয়া হয়েছে।

শুকুর আলী থেকে ৫০ লাখ টাকার লোন পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাসে ৬ লাখ টাকা ও তিনটি ব্ল্যাঙ্ক চেক নেওয়া হয়।

ইমরান হোসেন থেকে ঢাকার ডায়মন্ড লাইফ এনজিওতে চাকরির আশ্বাসে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা নেওয়া হয়।

সোহান হোসেন থেকে ৫০ লাখ টাকার লোন পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাসে ৫ লাখ টাকা ও তিনটি ব্ল্যাঙ্ক চেক নেওয়া হয়।

রমজান মুন্সী থেকে ২ লাখ টাকা ও তিনটি ব্ল্যাঙ্ক চেক নেওয়া হয়েছে।

হাফিজুর রহমানের ছেলে আল আমিন হোসেন থেকে ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও তিনটি ব্ল্যাঙ্ক চেক নেওয়া হয়েছে।

সাইদুর রহমান রিপন থেকে ২ লাখ টাকা ও তিনটি ব্ল্যাঙ্ক চেক নেওয়া হয়েছে।

হাবিবুর রহমান থেকে ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও তিনটি ব্ল্যাঙ্ক চেক নেওয়া হয়েছে।

ভুক্তভোগীদের একজন তানজিনা রহমান অভিযোগ করেন, একটি এনজিও থেকে ৫০ লাখ টাকার লোন পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে গত বছরের ২৮ জুন তার কাছ থেকে নগদ ৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং চারটি স্বাক্ষরিত ব্ল্যাঙ্ক চেক গ্রহণ করেছেন মাহমুদা জামান।

সাংবাদিক সম্মেলনে ভুক্তভোগীরা জানান, তারা অধিকাংশই গরিব পরিবারের সদস্য। আত্মীয়-স্বজন ও বিভিন্ন জায়গা থেকে ঋণ করে এই টাকা দিয়েছেন। এখন প্রতারিত হয়ে তারা দিশেহারা। তারা দ্রুত তাদের টাকা ও স্বাক্ষরিত চেক ফেরত পাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সাংবাদিক সম্মেলনে অন্যান্য উপস্থিত ভুক্তভোগীর মধ্যে ছিলেন ইন্নাতুল হাসান, তানজিনা রহমান, শান্তনা, নুপুর, শাহিনা, মিরাজ হোসেন ইমরান, সোবহান, আল-আমিন, দিতি, সুকুর আলী ও সুখজানসহ অন্যান্য ভুক্তভোগীরা।

আরও খবর

Ad for sale 225 x 270 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
🔝