| শিরোনাম |
❒ রাজারহাটে প্রাইভেটকার থামিয়ে পুলিশ পরিচয়ে স্বর্ণাঙ্কার লুট
❒ ‘যে সরিষা দিয়ে ভূত তাড়ানো হয়, সেই সরিষার মধ্যেই ভূত’
যশোরের রাজারহাটে স্বর্ণ ডাকাতি মামলায় এক পুলিশ সদস্যসহ আরো ৪ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ডিবি। সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল বাশার গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- সাতক্ষীরা জেলার দক্ষিণকাঠিয়া আনন্দপাড়া গ্রামের জানকিনাথ সরকারের ছেলে গৌরাঙ্গ সরকার, জেলার ইটাগাছা ঘোষপাড়া গ্রামের গণেশ মজুমদারের ছেলে বিকাশ মজুমদার ওরফে বাবু, জেলার উত্তর পলাশপোল গ্রামের আনিচুর রহমানের ছেলে মাহিন রহমান শাওন ও কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর থানার আবুরী মল্লিকপাড়া আ. আলীর ছেলে রায়হানুল হক। তাদের মধ্যে রায়হানুল হক সাতক্ষীরা কোতয়ালী থানার পুলিশ কনস্টেবল।
পুলিশ সূত্র জানায়, গত ১৪ জুলাই সকাল ৮টা ১০ মিনিটে কয়েকজন ব্যক্তি পুলিশ পরিচয়ে একটি প্রাইভেটকারের গতিরোধ করে। তারা আনন্দ বসু ও তার কর্মচারী রাসেল গাজীকে চোখ বেঁধে হাতকড়া পড়ায়। পরে তাদের কাছ থেকে ১৯ ভরি ৮ আনা স্বর্ণালংকার, নগদ ২৬ হাজার টাকা ও চারটি মোবাইল ছিনিয়ে নেয়। ভুক্তভোগীদের মনিরামপুর থানাধীন ট্যাংরাখালী এলাকায় ফেলে যায় ডাকাতরা। এ ঘটনায় যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা রুজু হয়।
তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গত ২০ সেপ্টেম্বর কোতোয়ালি থানা ও ডিবি পুলিশ যৌথ অভিযানে প্রথমে মো. উজ্জল হোসেন ও মো. নিশান হোসেনকে গ্রেপ্তার করে। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরো দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে উজ্জল হোসেন ও রতন শেখ আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
সূত্র আরো জানায়, তাদের জবানবন্দি, গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে চালানো অভিযানে সাতক্ষীরার দেবহাটা ও সদর এলাকা থেকে নতুন করে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের মধ্যে রায়হানুল হক ও মাহিন রহমান শাওন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।