| শিরোনাম |
❒ দেশপ্রেম ও গণতন্ত্রের বার্তা নিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচিতে নেতা-কর্মীদের অংশগ্রহণ
আজ রোববার (১ সেপ্টেম্বর) বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। দিনটিতে দেশব্যাপী বিস্তারিত কর্মসূচি পালিত হয়েছে। দলটি তাদের কার্যক্রমে দেশের জনগণকে গণতন্ত্র ও সংবিধানের প্রতি সচেতন করার বার্তা দিয়েছেন।
রাজধানীর নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সকাল থেকেই নেতা-কর্মীরা উপস্থিত হয়ে পতাকা ও ব্যানার নিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন। পরে বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। তিনি বলেন, “বিএনপি দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করে চলেছে। আমরা সবসময় গণতন্ত্র, মানুষের স্বাধীনতা ও আইনের শাসনের পক্ষে থাকব।”
প্রধান নেতারা আরও বলেন, দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী শুধু উদযাপন নয়, বরং দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষকে সচেতন করার একটি উপলক্ষ। তারা কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী নেতা-কর্মীদের উৎসাহ দেন এবং দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য উন্নয়ন, ন্যায় ও শান্তির বার্তা প্রেরণ করেন।
দেশের বিভিন্ন জেলা শহরে ও উপজেলা পর্যায়ে বিএনপি নেতা-কর্মীরা স্থানীয় কার্যালয়, পাবলিক প্লেস ও স্কুল-কলেজে পতাকা উত্তোলন, পুষ্পস্তবক অর্পণ ও আলোচনা সভার আয়োজন করেন। যশোর, খুলনা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও রাজশাহীসহ দেশের প্রায় সব বিভাগে স্থানীয় নেতারা বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।
বিএনপি’র ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে যশোরে সভাপতিত্ব করেন জেলা সভাপতি সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু। প্রধান অতিথির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় নেতা অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, “দেশে ফের ফ্যাসিবাদের পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে। বিএনপি সব সময় গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রয়েছে।
খুলনা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ রিয়াজুল হক বলেন, “দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আমরা শুধু অতীতকে স্মরণ করছি না, বরং দেশের ভবিষ্যতকে আরও শক্তিশালী করার জন্য রাজনৈতিক ও সামাজিক বার্তা দিচ্ছি।”
দেশব্যাপী অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক আয়োজন, লিফলেট বিতরণ, গণসংলাপ ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিএনপি’র পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, দলের লক্ষ্য দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া মজবুত করা ও নাগরিকদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা।