শিরোনাম |
❒ মাইলস্টোন ট্রাজেডিঃমৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৫,ক্রিটিক্যাল অবস্থায় আরও ৩ জন
❒ জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট ছবি:
রাজধানীর উত্তরা মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় দগ্ধ মাসুমা (৩৮) নামে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। তিনি ওই স্কুলের আয়ার কাজ করতেন। জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ শনিবার (২৬ জুলাই) সকাল সোয়া ১০টার দিকে মারা যায় শিশু জারিফ। তার বয়স ১৪ বছর। এরআগে শুক্রবার (২৫ জুলাই) একই হাসপাতালে সাড়ে ৩ ঘণ্টার ব্যবধানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় আরও দুই শিশুশিক্ষার্থী। তারা হলো মুসাব্বির মাকিন (১৩) ও তাসনিম আফরোজ আয়মান (১০)। এনিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫ জনে
এ তথ্য নিশ্চিত করে ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান বলেন, ‘মাসুমার শ্বাসনালিসহ শরীরের ৯০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। ক্রিটিক্যাল অবস্থায় লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে।’
ডা. শাওন বলেন, ‘এ নিয়ে ইনস্টিটিউটে ১৭ জনের মৃত্যু হলো। এখন ভর্তি আছে ৩৮ জন। তাদের মধ্যে তিনজন এখনো আইসিইউতে ক্রিটিক্যাল অবস্থায় আছে।’
মাসুমার স্বামী মো. সেলিম জানান, মাইলস্টোন স্কুলে আয়ার কাজ করতেন তাঁর স্ত্রী। তিনি নিজে একটি বায়িং হাউসে চাকরি করেন। তাঁদের বাড়ি ভোলা জেলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায়। তাঁর বাবার নাম আবুল কাশেম। এক ছেলে এক মেয়েসহ পরিবার নিয়ে তুরাগ নয়ানগর শুক্রভাঙ্গা এলাকায় থাকেন।
এর আগে সকাল সোয়া ৯টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় শিক্ষার্থী জারিফ ফারহান (১৩)। সে ৭ম শ্রেণির ইংলিশ ভার্সনে পড়ত।