শিরোনাম |
হিমোফিলিয়া সোসাইটি অব বাংলাদেশ যশোর শাখার উদ্যোগে র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবারের প্রতিপাদ্য ছিল মহিলা এবং মেয়েদেরও অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ/ হিমোফিলিয়া হতে পারে।
আজ বৃহস্পতিবার (১৭ এপ্রিল) সকালে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট যশোর জেনারেল হাসপাতাল চত্বরে র্যালি ও পরে সভাকক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। র্যালিতে উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক হোসাইন সাফায়াত, আরএমও বজলুর রশিদ টুলু, হাবীবা সিদ্দীকা ফোয়ারা, ইএনটি ডাক্তার তমিজ উদ্দীন।
সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, হিমোফিলিয়া একটি বংশগত মারাত্মক রক্তক্ষরণ জনিত রোগ। শরীরের কোথাও কেটে গেলে রক্তক্ষরণ বন্ধ না হওয়া এ রোগের প্রধান লক্ষণ। আঘাত লাগলে ফুলে যাওয়া, কালশিরে দাগ হওয়া, হাতের কনুই, হাটুর জয়েন্টে বা গোড়ালিতে রক্তক্ষরণ, দাঁত/ মাড়িতে রক্তক্ষরণ, পেটে/ মাথায় রক্তক্ষরণ ইত্যাদি এই রোগের প্রধান উপসর্গ। রক্তক্ষরণ বন্ধ না হলে রোগীর মৃত্যু হতে পারে।
বক্তারা বলেন-হিমোফিলিয়া রোগের কোন প্রতিষেধক আবিস্কার হয়নি। তবে এই রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। এর জন্য চাই সচেতনতা এবং এই রোগ সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান ও শিক্ষা। রক্তক্ষরণ হলে ফ্রেশ ব্লাড, ফ্রেশ ফলোরেজন প্লাজামা, ক্রায়ো, প্যাক্টর ইন্জেকশন এই রোগ প্রতিরোধের একমাত্র উপকরণ।
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন-কিডনী রোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার উবাইদুল কাদির উজ্জল, ডক্টরস ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সভাপতি ওয়াহিদউজজামান আজাদ, সহকারী অধ্যাপক সেলিম রেজা। সভাপতিত্ব করেন হিমোফিলিয়া সোসাইটি অব বাংলাদেশ যশোর শাখার সভাপতি নাসের মুস্তাফিজ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ তছদিকুর রহমান খান কাফি প্রমুখ।
Tag এই রকম আরও টপিক